Tuesday, June 23, 2015

বাঙ্গালী ও দোযখের পাহারাদারের গল্প।



একটা গল্প মনে পড়ল। 

-কেন ? হঠাত গল্প কেন ?

আরে ভাই , গল্পটা শোনেন আগে। 

-বলেন।

এক পাপী বাঙ্গালী। তাকে পাঠানো হল দোযখে।  

-পাপী-তো, অবশ্যই দোযোখে যাবে !! 
ঠিক আছে, গেল। তারপর ?

তাকে পাঠানো হল এক বিশাল ময়দানে।
ধূ-ধূ ময়দান। সেই ময়দান জুড়ে বিশাল - বিশাল আগুনের কূয়া । প্রত্যেক কূয়ার মুখে একজন করে পাহারাদার গদা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। যে পাপী কূয়ার দেয়াল বেয়ে উপরে উঠে আসছে, গদা মেরে তাকে আবার নিচে ফেলে দিচ্ছে সেই পাহারাদার। 

বাঙ্গালী-টি ভালো করে দেখল একটি কূয়ায় কোনো পাহারাদার নেই !! তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেই কূয়ার দিকে। 
তাঁর মনে প্রশ্ন জাগল, এই কূয়ায় কোনো পাহারাদার নেই কেন ? 
সে বিনীত স্বরে জিজ্ঞাসা করল, "এই কূয়ায় কোনো পাহারাদার নেই কেন ?" 

ফেরেশতা উত্তর দিল, "ওটা বাঙ্গালীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। পাহারাদারের দরকার নেই। 
কেউ উপরে উঠে আসতে চাইলে সবাই মিলে তাকে টেনে নিচে নামিয়ে নেয়। 

-পুরোনো গল্প।  তা, হঠাত এই গল্প কেন ??

গোপাল। 
ভারতীয় সেই ভক্ত যখন নিজেই স্বীকার করছে যে তাকে কেউ মারে নি, তখন আমরা কিছু বাঙ্গালী প্রমাণ করতে ব্যস্ত যে, তাকে মারা হয়েছে। এবং তাতে এই ক্ষুদ্র জাতীর ভাবমূর্তি নামক নক্ষত্রে উল্কা বৃষ্টি হয়েছে। নক্ষত্রটি ধ্বংস হয়ে গেছে। 

আরে ভাই, আমিতো দেখি নক্ষত্রটি দিনে দিনে আরো উজ্জ্বল হচ্ছে !! ধবল ধোলাই হচ্ছে যে !!

আমিও বাঙ্গালী, তবে আমার ভাবমূর্তি এত সামান্যে ম্লান হবে না। 
রক্ত দিয়ে ভাষা কিনেছি। স্বাধীনতা-ও রক্তের দামে কেনা। আছে আর কোনো জাতি ? 

কি ভাই, চুপ কেন ? 

প্রথম গল্পটি নিছক-ই গল্প। 

আমি গর্বিত আমি বাঙ্গালী, আমি গর্বিত আমি বাংলাদেশী ।